ইমিগ্রেশন পলিসির কারণে সোশাল সিকিউরিটি চেক কমতে পারে ২২%
বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার ৫৬ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি বয়স্ক মানুষ সোশাল সিকিউরিটির ওপর অনেকখানি নির্ভর করেন। শেষ জীবনে এই অর্থ তাদের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ বিশেষ করে যারা স্বল্প আয়ের মানুষ। কিন্তু ওয়াশিংটন পোস্ট জানাচ্ছে, বর্তমানে যে হারে সোশাল সিকিউরিটি ট্রাস্ট ফান্ডে অর্থের টান পড়ছে, তাতে ২০৩২ সালে এই ফান্ড সংকটে পড়বে। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসন স্বীকার করেছে এই প্রশাসনের ইমিগ্রেশন পলিসি এবং ট্যাক্স কাটের কারণে এই সংকটের সৃষ্টি হবে।
সোশাল সিকিউরিটি’স ট্রাস্টের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে ইমিগ্রান্ট আসা কমেছে, সেটা যেমন সোশাল সিকিউরিটি ফান্ডে অর্থের যোগান কমাবে, তার পাশপাশি গত বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ট্যাক্সনীতির কারণে ট্যাক্স কাট আইন যা গৃহীত হয়েছে প্রথম মেয়াদে, তা বর্ধিত করা হয়েছে এই মেয়াদেও। এই ট্যাক্সনীতিতে সিনিয়রদের ডিডাকশন রাখা হয়। ট্রাস্টিরা আরো স্বীকার করেছে, এত কিছু সত্ত্বেও যে কিছুটা গড় আর্নিং বেড়েছে তা আংশিক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে সোশাল সিকিউরিটি ফান্ডে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, আশংকার আরো কারণ হচ্ছে বেবি—বুমার জেনারেশনের বিপুল সংখ্যক মানুষের অবসরে যাওয়া এবং জন্মহার কমে যাওয়ায় কম সংখ্যক মানুষ এখন সোশাল সিকিউরিটি ফান্ডে অর্থ পে করছেন।
মঙ্গলবার প্রকাশ করা তথ্যে পূর্বাভাস দেয়া হয় যে ২০৩২ সালে সোশাল সিকিউরিটি বেনিফিটের মাসিক পেমেন্ট ২২ শতাংশ কমে যাবে। তবে একইসাথে বলা হয় মেডিকেইড ফান্ডের অর্থে কোনো সংকট দেখা যাবে না।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের অনুষ্ঠানে সোশাল সিকিউরিটি এডমিনিস্ট্রেশনের কমিশনার ফ্রাংক বিসাইনানো, ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বিসেন্ট, হেলথ সেক্রেটারি রবার্ট কেনেডি জুনিয়র ও ভারপ্রাপ্ত লেবার সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং কংগ্রেসকে অনতিবিলম্বে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার অনুরোধ জানান বলে লিখেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
