আমেরিকার ইউনিভার্সিটিতে বাংলাদেশী শিক্ষক—১৬৯

বাঙালী প্রতিবেদনঃ আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি কলেজে যারা শিক্ষকতা গবেষণা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ

. মুহাম্মদ ফারেস ভুঁইয়া

মিনেসোটার কার্লটন কলেজের ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক্সের চেয়ারম্যান এবং এসোসিয়েট প্রফেসর . মুহাম্মদ ফারেস ভুঁইয়া। তিনি নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০৪ সালে ইকোনমিক্স, ম্যাথেমেটিক্স ম্যাথেমেটিকেল মেথডস ফর সোশাল সাইন্সে বিএ করেন। ২০০৬ সালে একই ইউনিভর্সিটি থেকে ইকোনমিক্সে এমএ করেন। আর ২০১০ সালে একই ইউনিভার্সিটি থেকে ইকোনমিক্সে পিএইচ.ডি করেন। . ভুঁইয়া ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক্সের চেয়ার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

. নাওয়াজ খান

মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসের ওয়ালডেন ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড হিউম্যান পটেনশিয়ালের এডভান্সড ড্যাটাবেস সিস্টেমের শিক্ষক . নাওয়াজ খান। তিনি লন্ডনের মিড্লসেক্স ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ এবং পিএইচ.ডি করেন। তিনি পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রোগ্রাম করেন ক্যালটেক এর ক্লাউড কম্পু্যটিং সেন্টার ফর টেকনোলজি এন্ড ম্যানেজমেন্ট থেকে। এছাড়াও তিনি পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন এমিরেটাস ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট থেকে।

. শারমিন হাসান

স্যাম হিউস্টন স্টেট ইউনিভার্সিটির সেল বায়োলজির এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর . শারমিন হাসান। তিনি ইউনিভার্সিটি অব টোকিও থেকে একুয়াটিক বায়োসাইন্সে এম.এসসি. করেন ২০১২ সােলে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে একুয়াটিক বায়োসাইন্সে পিএইচ.ডি করেন ২০১৫ সালে। এরপর ২০১৬ সালে টোকিও মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল ইউনিভার্সিটি থেকে মলিকিউলার বায়োলজিতে পোস্টডক করেন। পুনরায় তিনি পোস্টডক করেন টেম্পল ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে।

Related Posts